ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁয় শক্রতার জেরে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট, বিচার দাবীতে মানব বন্ধন Logo নওগাঁয় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পৈতৃক জমি আত্মসাতের চেষ্টা   Logo ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ: শিক্ষককে নিয়ে লিখেছে চিরকুট Logo মহাদেবপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় পাঠাগারে ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা Logo আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির সাবেক ভিসির ১০ বছর কারাদণ্ড Logo আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুইজনের ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন Logo বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে: সিইসি Logo হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালের অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা Logo মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo হামের টিকা সংকটের দায় গত সরকারের; স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভাগনে হত্যায় মামার মৃত্যুদণ্ড

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ভাগনে হত্যায় মামা আব্দুল জলিল সরকারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নাজিমুদ্দৌলা এ রায় দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ইসমাইল হোসেন জানান, উপজেলার ঘুগরী গ্রামের দলু সরকারের মেয়ে শিখা বেগমের সঙ্গে মো. রইছ উদ্দিনের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। তাদের ঘরে মো. সাইদুর রহমান রানা নামে এক ছেলে ছিল। পরে শিখা বেগম বিয়ে করে বর্তমান স্বামীর বাড়ি যশোর ঝিকরগাছা চলে যান এবং রইছ উদ্দিনও অন্য জায়গায় বিয়ে করেন। তাদের সন্তান সাইদুর রহমান রানা নানা-নানির বাড়িতে থাকতো। তারা নানা দুলু সরকার তাকে চারকাঠা জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়।

এরপর রানার সঙ্গে তার মামা আব্দুল জলিল সরকারের শত্রুতা শুরু হয়। ২০১৩ সালের ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় আব্দুল জলিল তার বাবা-মাকে জমি লিখে দেওয়ার জন্য মারধর করেন। একই দিন বাজার থেকে ফেরার পথে আবদুল জলিল রানাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে রানার বাবা মো. রইছ উদ্দিন আব্দুল জলিল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ১৬ সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

নওগাঁয় শক্রতার জেরে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট, বিচার দাবীতে মানব বন্ধন

ভাগনে হত্যায় মামার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ভাগনে হত্যায় মামা আব্দুল জলিল সরকারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নাজিমুদ্দৌলা এ রায় দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ইসমাইল হোসেন জানান, উপজেলার ঘুগরী গ্রামের দলু সরকারের মেয়ে শিখা বেগমের সঙ্গে মো. রইছ উদ্দিনের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। তাদের ঘরে মো. সাইদুর রহমান রানা নামে এক ছেলে ছিল। পরে শিখা বেগম বিয়ে করে বর্তমান স্বামীর বাড়ি যশোর ঝিকরগাছা চলে যান এবং রইছ উদ্দিনও অন্য জায়গায় বিয়ে করেন। তাদের সন্তান সাইদুর রহমান রানা নানা-নানির বাড়িতে থাকতো। তারা নানা দুলু সরকার তাকে চারকাঠা জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়।

এরপর রানার সঙ্গে তার মামা আব্দুল জলিল সরকারের শত্রুতা শুরু হয়। ২০১৩ সালের ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় আব্দুল জলিল তার বাবা-মাকে জমি লিখে দেওয়ার জন্য মারধর করেন। একই দিন বাজার থেকে ফেরার পথে আবদুল জলিল রানাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে রানার বাবা মো. রইছ উদ্দিন আব্দুল জলিল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ১৬ সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।