ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo আগ্রাদ্বিগুণে মজিবুর রহমান স্মৃতি গ্রন্থাগারে সাহিত্য পরিষদের উদ্বোধন Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের দুইটি জেলা নিজেদের দেখিয়ে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপাল

গ্রেটার নেপালের নতুন প্রকাশিত মানচিত্র

স্টাফ রিপোর্টার: হঠাৎ করেই নেপাল মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। নিজেদের চেয়ে শক্তিশালী প্রতিবেশী ভারতের একের পর এক জায়গা নিজেদের দাবি করে বিশ্ব মিডিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তবে এবার বাংলাদেশকেও ছাড়েনি গ্রেটার নেপাল।

বাংলাদেশের দুইটি জেলা নিজেদের দেখিয়ে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপালের জাতীয়তাবাদী সে সংগঠন। গ্রেটার নেপাল নামে সেই ম্যাপে বাংলাদেশের দিনাজপুর ও রংপুরকেও সেই ম্যাপে পাকিস্তান অধিকৃত নেপালের অংশ বলা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ভারতের সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, দিনাজপুর ছাড়াও পাটনা, কাটিহার, পূর্ণিয়া সহ বিহারের প্রায় গোটা অংশ, সিমলা, উত্তর কাশী, দেরাদুনকেও নেপালের এলাকা হিসাবে দেখানো হয়েছে।

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম দাবি করে, সেদেশের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে গত এক বছরে চারবার চীনে গিয়ে বৈঠক করে এসেছেন জিএনএনএফ-এর চেয়ারম্যান ফণীন্দ্র নেপাল।

এমনকি চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তার। ফলে গ্রেটার নেপালের নামে ম্যাপ প্রকাশের পিছনে চীনের মদত রয়েছে বলেই মনে করছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কেও জানানো হয়েছে বলে খবরে বলা হয়।

সংগঠনটি নেপালে এনজিও হিসাবে নথিভুক্ত আছে। ভারতের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবকে চিঠি লিখে সংগঠনটি প্রচারের আলোয় আসে।

২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল নেপালের সব থেকে বড় মিডিয়া গ্রুপ কান্তিপুরের একটি সাপ্তাহিক প্রকাশনায় ‘গ্রেটার নেপাল নিয়ে সবুজ সংকেত দিল চীন’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সীতারাম বড়াল নামে এক সাংবাদিক সেই প্রতিবেদনে ফণীন্দ্রর চীন যাওয়ার কথা প্রকাশ্যে আনেন। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বেইজিংয়ে আমন্ত্রণেই ফণীন্দ্র সেদেশে গিয়েছিলেন।

চীনের শীর্ষস্তরের কমপক্ষে ৫০ জন কর্মকর্তার সঙ্গে গত এক বছরে ফণীন্দ্র বৈঠকে বসেছিলেন বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। চীনে গিয়ে গ্রেটার নেপালের ম্যাপও বিভিন্ন দপ্তরে দিয়ে এসেছেন জিএনএনএফ চেয়ারম্যান।

ট্যাগস

ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

বাংলাদেশের দুইটি জেলা নিজেদের দেখিয়ে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপাল

আপডেট সময় ০৪:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার: হঠাৎ করেই নেপাল মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। নিজেদের চেয়ে শক্তিশালী প্রতিবেশী ভারতের একের পর এক জায়গা নিজেদের দাবি করে বিশ্ব মিডিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তবে এবার বাংলাদেশকেও ছাড়েনি গ্রেটার নেপাল।

বাংলাদেশের দুইটি জেলা নিজেদের দেখিয়ে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপালের জাতীয়তাবাদী সে সংগঠন। গ্রেটার নেপাল নামে সেই ম্যাপে বাংলাদেশের দিনাজপুর ও রংপুরকেও সেই ম্যাপে পাকিস্তান অধিকৃত নেপালের অংশ বলা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ভারতের সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, দিনাজপুর ছাড়াও পাটনা, কাটিহার, পূর্ণিয়া সহ বিহারের প্রায় গোটা অংশ, সিমলা, উত্তর কাশী, দেরাদুনকেও নেপালের এলাকা হিসাবে দেখানো হয়েছে।

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম দাবি করে, সেদেশের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে গত এক বছরে চারবার চীনে গিয়ে বৈঠক করে এসেছেন জিএনএনএফ-এর চেয়ারম্যান ফণীন্দ্র নেপাল।

এমনকি চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তার। ফলে গ্রেটার নেপালের নামে ম্যাপ প্রকাশের পিছনে চীনের মদত রয়েছে বলেই মনে করছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কেও জানানো হয়েছে বলে খবরে বলা হয়।

সংগঠনটি নেপালে এনজিও হিসাবে নথিভুক্ত আছে। ভারতের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবকে চিঠি লিখে সংগঠনটি প্রচারের আলোয় আসে।

২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল নেপালের সব থেকে বড় মিডিয়া গ্রুপ কান্তিপুরের একটি সাপ্তাহিক প্রকাশনায় ‘গ্রেটার নেপাল নিয়ে সবুজ সংকেত দিল চীন’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সীতারাম বড়াল নামে এক সাংবাদিক সেই প্রতিবেদনে ফণীন্দ্রর চীন যাওয়ার কথা প্রকাশ্যে আনেন। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বেইজিংয়ে আমন্ত্রণেই ফণীন্দ্র সেদেশে গিয়েছিলেন।

চীনের শীর্ষস্তরের কমপক্ষে ৫০ জন কর্মকর্তার সঙ্গে গত এক বছরে ফণীন্দ্র বৈঠকে বসেছিলেন বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। চীনে গিয়ে গ্রেটার নেপালের ম্যাপও বিভিন্ন দপ্তরে দিয়ে এসেছেন জিএনএনএফ চেয়ারম্যান।