ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo আগ্রাদ্বিগুণে মজিবুর রহমান স্মৃতি গ্রন্থাগারে সাহিত্য পরিষদের উদ্বোধন Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সীমান্তে মিয়ানমার সেনাদের তৎপরতা, রাষ্ট্রদূতকে তলব

ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার:   বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাদের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখা যাওয়ায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ ওয়েকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছ।

আজ রবিবার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয় বলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়। পরে রাষ্ট্রদূতের হাতে একটি প্রতিবাদপত্র দেওয়া হয়েছে।

জানা, গত শুক্রবার সকাল থেকে সীমান্ত এলাকায় অন্তত তিনটি পয়েন্টে মাছ ধরার ট্রলারে করে মিয়ানমারের সেনাদের টহল দিতে দেখা যায়। এরপরই দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ তৎপরতা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে বাংলাদেশ।

জানা যায়, রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বিনা উসকানিতে এভাবে সীমান্তের কাছে নতুন করে সেনাসমাবেশের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বলা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করবে। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করে দুই দেশের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি অবসানের জন্য মিয়ানমারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছে বাংলাদেশ।

চেকপোস্টে হামলার দাবি তুলে ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে গণহত্যা শুরু হয়। ওই সময়ও একইভাবে সীমান্ত এলাকায় সেনা সদস্যদের জড়ো করেছিল মিয়ানমার।

এদিকে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ও অন্য গোষ্ঠীগুলো নৃশংস গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ আনে জাতিসংঘ ও অন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা, গণধর্ষণ, তাদের বাড়ি-ঘরে আগুন ও ধ্বংস করছে সেনাবাহিনী। সেই সময় দেশটির সেনাবাহিনী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

তবে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যা ও ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছে দুই পলাতক সেনা সদস্য; কর্তৃপক্ষের আদেশে তারা এসব কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল।

নির্যাতনের শিকার হয়ে বেঁচে থাকা রোহিঙ্গাদের বক্তব্যের সঙ্গে সেনা সদস্যদের বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

সিএনএন বলছে, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে যে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চলেছে, দুই সেনা সদস্যের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সেনা সদস্যদের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো এটি স্বীকার করে নেওয়া হলো।

মাইয়ো উইন তুন ও জো নাইং তুং নামের এই দুই সেনা সদস্যের ভিডিওটি গত জুলাইয়ে ধারণ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধরত আরাকান আর্মি। এটি প্রকাশ করেছে ফোর্টিফাই রাইটস বলেছে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

ট্যাগস

ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

সীমান্তে মিয়ানমার সেনাদের তৎপরতা, রাষ্ট্রদূতকে তলব

আপডেট সময় ১১:৪১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার:   বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাদের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখা যাওয়ায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ ওয়েকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছ।

আজ রবিবার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয় বলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়। পরে রাষ্ট্রদূতের হাতে একটি প্রতিবাদপত্র দেওয়া হয়েছে।

জানা, গত শুক্রবার সকাল থেকে সীমান্ত এলাকায় অন্তত তিনটি পয়েন্টে মাছ ধরার ট্রলারে করে মিয়ানমারের সেনাদের টহল দিতে দেখা যায়। এরপরই দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ তৎপরতা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে বাংলাদেশ।

জানা যায়, রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বিনা উসকানিতে এভাবে সীমান্তের কাছে নতুন করে সেনাসমাবেশের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বলা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করবে। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করে দুই দেশের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি অবসানের জন্য মিয়ানমারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছে বাংলাদেশ।

চেকপোস্টে হামলার দাবি তুলে ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে গণহত্যা শুরু হয়। ওই সময়ও একইভাবে সীমান্ত এলাকায় সেনা সদস্যদের জড়ো করেছিল মিয়ানমার।

এদিকে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ও অন্য গোষ্ঠীগুলো নৃশংস গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ আনে জাতিসংঘ ও অন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা, গণধর্ষণ, তাদের বাড়ি-ঘরে আগুন ও ধ্বংস করছে সেনাবাহিনী। সেই সময় দেশটির সেনাবাহিনী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

তবে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যা ও ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছে দুই পলাতক সেনা সদস্য; কর্তৃপক্ষের আদেশে তারা এসব কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল।

নির্যাতনের শিকার হয়ে বেঁচে থাকা রোহিঙ্গাদের বক্তব্যের সঙ্গে সেনা সদস্যদের বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

সিএনএন বলছে, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে যে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চলেছে, দুই সেনা সদস্যের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সেনা সদস্যদের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো এটি স্বীকার করে নেওয়া হলো।

মাইয়ো উইন তুন ও জো নাইং তুং নামের এই দুই সেনা সদস্যের ভিডিওটি গত জুলাইয়ে ধারণ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধরত আরাকান আর্মি। এটি প্রকাশ করেছে ফোর্টিফাই রাইটস বলেছে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তার সত্যতা পাওয়া গেছে।