ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ৮ পৌষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
গণঅধিকার পরিষদের সাঃ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন,

জাতীয় পার্টির বেশে বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ

জাতীয় পার্টির বেশে এসে আওয়ামী লীগের লোকজন শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুরেরবুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেনন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

রাশেদ খান বলেন, “আমরা দেখলাম, জাতীয় পার্টির লোকজনও শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করলো। কিন্তু এরা জাতীয় পার্টি না, এরা আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি বেশে ফিরে এসে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। জিএম কাদের আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। আজকে শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে তারা ফিরে আসার মিশন শুরু করেছে।”গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, “আমাদের স্পষ্ট কথা, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি স্মৃতিসৌধে যেতে পারবে না। তাদের সুযোগ দিলে তারা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে।

এখনই তাদের টুটি চেপে ধরতে হবে। গণহত্যার বিচারের আগে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম তারা করতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে কেন এখনও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না? সরকারকে বলবো, দ্রুত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনুন। গণহত্যার বিচার করুন। শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে, আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে গ্রেপ্তার না করে কিসের বিচার করবেন? বিচারের নামে চুনোপুঁটির বিচার মানা হবে না। আগে রাঘববোয়াল ধরুন। এমপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা করুন।”

রাশেদ খান বলেন, “১৯৭১ সালের সঙ্গে ২০২৪ সালকে মিলিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করবেন না। ১৯৭১ এ একটি ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ হয়েছে। এই লড়াইয়ের সঙ্গে অন্য কোনকিছুর তুলনা বেমানান। ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধারা যে দলই করুক না কেন, যে আদর্শেরই হোক না কেন, তাদের নিয়ে বিতর্ক করা যাবে না।”

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি জাফর মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিলু খান, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সম্পাদক নাজমুল হাসান, সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ উদ্দিন তারেক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেওয়াজ খান বাপ্পি, যুব অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি রাহুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সকাল আহমেদ, সদস্য স্বপন খান, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মামুন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিঠু প্রমুখ।

ট্যাগস
সর্বাধিক পঠিত

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

গণঅধিকার পরিষদের সাঃ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন,

জাতীয় পার্টির বেশে বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় ০৫:০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

জাতীয় পার্টির বেশে এসে আওয়ামী লীগের লোকজন শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুরেরবুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেনন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

রাশেদ খান বলেন, “আমরা দেখলাম, জাতীয় পার্টির লোকজনও শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করলো। কিন্তু এরা জাতীয় পার্টি না, এরা আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি বেশে ফিরে এসে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। জিএম কাদের আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। আজকে শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে তারা ফিরে আসার মিশন শুরু করেছে।”গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, “আমাদের স্পষ্ট কথা, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি স্মৃতিসৌধে যেতে পারবে না। তাদের সুযোগ দিলে তারা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে।

এখনই তাদের টুটি চেপে ধরতে হবে। গণহত্যার বিচারের আগে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম তারা করতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে কেন এখনও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না? সরকারকে বলবো, দ্রুত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনুন। গণহত্যার বিচার করুন। শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে, আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে গ্রেপ্তার না করে কিসের বিচার করবেন? বিচারের নামে চুনোপুঁটির বিচার মানা হবে না। আগে রাঘববোয়াল ধরুন। এমপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা করুন।”

রাশেদ খান বলেন, “১৯৭১ সালের সঙ্গে ২০২৪ সালকে মিলিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করবেন না। ১৯৭১ এ একটি ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ হয়েছে। এই লড়াইয়ের সঙ্গে অন্য কোনকিছুর তুলনা বেমানান। ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধারা যে দলই করুক না কেন, যে আদর্শেরই হোক না কেন, তাদের নিয়ে বিতর্ক করা যাবে না।”

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি জাফর মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিলু খান, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সম্পাদক নাজমুল হাসান, সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ উদ্দিন তারেক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেওয়াজ খান বাপ্পি, যুব অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি রাহুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সকাল আহমেদ, সদস্য স্বপন খান, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মামুন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিঠু প্রমুখ।