ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৪র্থ শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ

খুলনা প্রতিনিধিঃ  খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোলে ৪র্থ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৪) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

শনিবার (০২ মে) দুপুরে নগরীর খান জাহান আলী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় একই বাড়ির ভাড়াটিয়া নাহিদের ছেলে আমিনুল (১৭), যোগীপোল ইউনিয়নের মৃত শহিদের ছেলে আজিজুল (২১) ও জাব্দীপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে পারভেজ (২৫) সুকৌশলে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী মুফতী মানসুরুর রহমানের পরিত্যক্ত বাসভবনে নিয়ে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এসময় মানসুরুর রহমানের ছেলে মো. সানাউল্লাহ দেখে ফেললে তারা ছাত্রীকে খাটের নিচে লুকিয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে সানাউল্লাহ তাকে খাটের নিচ থেকে বের করার সময় আসামিরা ছাত্রীর সাথে সানাউল্লাহর ছবি অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রকমের ভাবে মোবাইলে ধারণ করে।

এ ঘটনার পরদিন আসামিরা তার ওই ছবি দেখিয়ে সানাউল্লাহর পিতা মানসুরুর রহমানের নিকট ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পরবর্তীতে মানসুর রহমান ছাত্রী ও তার মা’য়ের নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে সকল ঘটনা খুলে বলে।

খানজাহান আলী থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অসুস্থ ওই ছাত্রী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি আছে।

 

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

৪র্থ শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ

আপডেট সময় ১১:২৯:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২০

খুলনা প্রতিনিধিঃ  খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোলে ৪র্থ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৪) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

শনিবার (০২ মে) দুপুরে নগরীর খান জাহান আলী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় একই বাড়ির ভাড়াটিয়া নাহিদের ছেলে আমিনুল (১৭), যোগীপোল ইউনিয়নের মৃত শহিদের ছেলে আজিজুল (২১) ও জাব্দীপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে পারভেজ (২৫) সুকৌশলে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী মুফতী মানসুরুর রহমানের পরিত্যক্ত বাসভবনে নিয়ে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এসময় মানসুরুর রহমানের ছেলে মো. সানাউল্লাহ দেখে ফেললে তারা ছাত্রীকে খাটের নিচে লুকিয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে সানাউল্লাহ তাকে খাটের নিচ থেকে বের করার সময় আসামিরা ছাত্রীর সাথে সানাউল্লাহর ছবি অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রকমের ভাবে মোবাইলে ধারণ করে।

এ ঘটনার পরদিন আসামিরা তার ওই ছবি দেখিয়ে সানাউল্লাহর পিতা মানসুরুর রহমানের নিকট ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পরবর্তীতে মানসুর রহমান ছাত্রী ও তার মা’য়ের নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে সকল ঘটনা খুলে বলে।

খানজাহান আলী থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অসুস্থ ওই ছাত্রী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি আছে।