ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর সীমান্ত এলাকায় হটাৎ পঙ্গপালের মত উড়ে আসছে হলুদ প্রজাপতি

হটাৎ প্রজাতির এতো আগমন নিয়ে শংকায় এলাকাবাসী

 আব্দুল্লাহ হেল বাকী, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :  কিছুদিন ধরে একটি কীটপতঙ্গের নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ধেয়ে আসছে রাক্ষসী পঙ্গপাল। পঙ্গপালের এই অশনি সংকেতের কথা শুনতে শুনতে গ্রমের সাধারণ কৃষিজীবী মানুষের কপালে পড়েছে চিন্তর ভাঁজ।

জানা গেছে, নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্ত এলাকায় গত তিনদিন ধরে ভারত থেকে আশা এমন কীটপতঙ্গের দৃশ্য দেখে রীতিমত ভীত হয়ে পড়েছেন ধামইরহাট উপজেলার সীমাস্তবর্তী খরমপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ।

উপজেলায় এ রকম বিরল প্রজাতির প্রজাপতি আগে কখনও দেখেনি। আসলে এগুলো প্রজাপতির অন্য কোন জাত নাকি সত্যিকারের রাক্ষসী পঙ্গপাল এ বিষয়টি এখনই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া দরকার অন্যথায় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এলাকাবাসী। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় ফসলের কোনো ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়নি।

উপজেলার খড়মপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ধামইরহাট সরকারি এম এম ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক হাদিউল ওমামী বলেন, হঠাত মঙ্গলবার বিকেলে ঘর থেকে বের হতেই দেখি ১০ থেকে ১৫ টি করে দলবদ্ধ ভাবে প্রজাপতির মতো অসংখ্য কীটপতঙ্গ উড়ে আসছে। দেখতে কিছুটা হলুদ সাথে সাদা বর্ণের। কিছুদিন আগে থেকেই পেপার-পত্রিকায় দেখছি পঙ্গপাল নামে কীটপতঙ্গ ধেয়ে আসার কথা।

পঙ্গপালের কথা ভেবে গ্রামের সাধারণ মানুষ এক রকম আতঙ্কে পড়েন। এই পঙ্গপালগুলো পার্শ্ববর্তী ভারত থেকে বাংলাদেশের খরমপুর গ্রামের উপর দিয়ে প্রায় ১০-১২ ফুট উঁচু দিয়ে পরপর তিনদিন উড়ে যেতে দেখেন গ্রামের মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা কৃষক খাইরুল ইসলাম বলেন, আমি কেনাকাটা করে হাট থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। ফার্সিপাড়া গ্রামের কাছাকাছি যেতেই রাস্তার পাশে দেখি উৎসুক জনতা দাঁড়িয়ে থেকে কি যেনো দেখছে রাস্তার পাশেই আমার সাইকেলটি দাঁড় করিয়ে তাকিয়ে দেখি অনেক পোঁকা, মাঝে মধ্যে প্রজাাপতির মতো লাগছিল।

তারা দলবদ্ধ ভাবে ফার্সিপাড়া থেকে খড়মপুর বর্ডার পর্যন্ত এভাবে প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে  উড়ে যাচ্ছিল। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষিবিদ সেলিম রেজা বলেন, ঘটনাটি জানতে পেরে আমরা সেখানে লোক পাঠিয়েছি, তবে যতটুকু জানতে পেরেছি এটি প্রজাপতিরই অন্য একটি জাত। এটি পঙ্গপাল নয়। পঙ্গপালের বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি সুতরাং এ বিষয়ে গ্রামের মানুষের ভয় পাবার কিছু নেই।

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

নওগাঁর সীমান্ত এলাকায় হটাৎ পঙ্গপালের মত উড়ে আসছে হলুদ প্রজাপতি

আপডেট সময় ১১:৫৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২০

 আব্দুল্লাহ হেল বাকী, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :  কিছুদিন ধরে একটি কীটপতঙ্গের নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ধেয়ে আসছে রাক্ষসী পঙ্গপাল। পঙ্গপালের এই অশনি সংকেতের কথা শুনতে শুনতে গ্রমের সাধারণ কৃষিজীবী মানুষের কপালে পড়েছে চিন্তর ভাঁজ।

জানা গেছে, নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্ত এলাকায় গত তিনদিন ধরে ভারত থেকে আশা এমন কীটপতঙ্গের দৃশ্য দেখে রীতিমত ভীত হয়ে পড়েছেন ধামইরহাট উপজেলার সীমাস্তবর্তী খরমপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ।

উপজেলায় এ রকম বিরল প্রজাতির প্রজাপতি আগে কখনও দেখেনি। আসলে এগুলো প্রজাপতির অন্য কোন জাত নাকি সত্যিকারের রাক্ষসী পঙ্গপাল এ বিষয়টি এখনই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া দরকার অন্যথায় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এলাকাবাসী। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় ফসলের কোনো ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়নি।

উপজেলার খড়মপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ধামইরহাট সরকারি এম এম ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক হাদিউল ওমামী বলেন, হঠাত মঙ্গলবার বিকেলে ঘর থেকে বের হতেই দেখি ১০ থেকে ১৫ টি করে দলবদ্ধ ভাবে প্রজাপতির মতো অসংখ্য কীটপতঙ্গ উড়ে আসছে। দেখতে কিছুটা হলুদ সাথে সাদা বর্ণের। কিছুদিন আগে থেকেই পেপার-পত্রিকায় দেখছি পঙ্গপাল নামে কীটপতঙ্গ ধেয়ে আসার কথা।

পঙ্গপালের কথা ভেবে গ্রামের সাধারণ মানুষ এক রকম আতঙ্কে পড়েন। এই পঙ্গপালগুলো পার্শ্ববর্তী ভারত থেকে বাংলাদেশের খরমপুর গ্রামের উপর দিয়ে প্রায় ১০-১২ ফুট উঁচু দিয়ে পরপর তিনদিন উড়ে যেতে দেখেন গ্রামের মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা কৃষক খাইরুল ইসলাম বলেন, আমি কেনাকাটা করে হাট থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। ফার্সিপাড়া গ্রামের কাছাকাছি যেতেই রাস্তার পাশে দেখি উৎসুক জনতা দাঁড়িয়ে থেকে কি যেনো দেখছে রাস্তার পাশেই আমার সাইকেলটি দাঁড় করিয়ে তাকিয়ে দেখি অনেক পোঁকা, মাঝে মধ্যে প্রজাাপতির মতো লাগছিল।

তারা দলবদ্ধ ভাবে ফার্সিপাড়া থেকে খড়মপুর বর্ডার পর্যন্ত এভাবে প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে  উড়ে যাচ্ছিল। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষিবিদ সেলিম রেজা বলেন, ঘটনাটি জানতে পেরে আমরা সেখানে লোক পাঠিয়েছি, তবে যতটুকু জানতে পেরেছি এটি প্রজাপতিরই অন্য একটি জাত। এটি পঙ্গপাল নয়। পঙ্গপালের বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি সুতরাং এ বিষয়ে গ্রামের মানুষের ভয় পাবার কিছু নেই।