ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo আগ্রাদ্বিগুণে মজিবুর রহমান স্মৃতি গ্রন্থাগারে সাহিত্য পরিষদের উদ্বোধন Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

মাদক এর পেশা ছাড়তে বলায় রাতভর পিটিয়ে হত্যা

নিহত রাসেল

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাবা মায়ের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে রাসেল রানা বড়। হতদরিদ্র বাবা বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে লেখাপড়া করিয়েছেন।

গত বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন রাসেল। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় শিশু কানন নামের একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছিলেন।

এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে রাসেলের অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসনীয়। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেনও তিনি।

এটাই তার কাল হয়ে উঠল। কয়েকদিন আগে স্থানীয় কয়েক মাদক ব্যবসায়ীকে ঘৃণ্যতম এ পেশা ছেড়ে আলোর পথে আসতে বলেন রাসেল। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মাদক ব্যবসায়ীরা।

শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বারতোপা বাজারে চায়ের স্টল থেকে ধরে নিয়ে যায় ইমরানের নেতৃত্বে কয়েক মাদক ব্যবসায়ী।

পরে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন। এক পর্যায়ে মারা গেলে রাতের আঁধারে পাশের একটি খালের পাশে মরদেহ ফেলে দেয়া হয়।

ট্যাগস

ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

মাদক এর পেশা ছাড়তে বলায় রাতভর পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৪:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাবা মায়ের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে রাসেল রানা বড়। হতদরিদ্র বাবা বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে লেখাপড়া করিয়েছেন।

গত বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন রাসেল। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় শিশু কানন নামের একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছিলেন।

এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে রাসেলের অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসনীয়। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেনও তিনি।

এটাই তার কাল হয়ে উঠল। কয়েকদিন আগে স্থানীয় কয়েক মাদক ব্যবসায়ীকে ঘৃণ্যতম এ পেশা ছেড়ে আলোর পথে আসতে বলেন রাসেল। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মাদক ব্যবসায়ীরা।

শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বারতোপা বাজারে চায়ের স্টল থেকে ধরে নিয়ে যায় ইমরানের নেতৃত্বে কয়েক মাদক ব্যবসায়ী।

পরে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন। এক পর্যায়ে মারা গেলে রাতের আঁধারে পাশের একটি খালের পাশে মরদেহ ফেলে দেয়া হয়।