ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পদ্মাপাড়ে বিমানবন্দর তৈরির দুই স্থান খুঁজতেই ব্যয় ১৩৬ কোটি টাকা

রাজধানী ঢাকার কাছে আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ ছিল বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি।  জাপানি পরামর্শকের মাধ্যমে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি চলে ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত। এক যুগে বিমানবন্দরের সম্ভাব্য নির্মাণব্যয় ঠেকেছে লাখ কোটিতে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে মাদারীপুরের ছিলারচর, খোয়াজপুর, উমেদপুর, দ্বিতীয়াখাণ্ডা, কাদিরপুর, ভদ্রাসন ও মাদারীপুর এলাকা চিহ্নিত করা হয়। শরীয়তপুর সদরের বিনোদপুর, চন্দ্রপুর, চিকন্দি ও মোহাম্মদপুর এবং জাজিরার বড় গোপালপুর, সেনের চর, বড় কৃষ্ণনগর, জয়নগরের নামও আসে। তবে একক কোনো স্থানের নাম এখনো পাওয়া যায়নি। দুটি স্থানের নাম নির্বাচন করেছে বেবিচক। ১৩৬ কোটি ৫৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা দিয়ে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করে বাছাই করা হয়েছে জায়গা দুটি। এর একটি হলো শরীয়তপুর সদর ও চর জানাজাত।

২০১৫ থেকে ২০২১ মেয়াদে এ ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করা হয়। এরই মধ্যে ফিজিবিলিটি রিপোর্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ে সবুজ সংকেত পেলেই একক স্থানের নাম ঘোষণা করবে বেবিচক।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) মো. খলিলুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি সবে শেষ করেছে বেবিচক। রিপোর্টে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা কাভার করে এমন দুটি স্থানের নাম সুপারিশ করা হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে বিমানবন্দর প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে নিয়োগ করা হয় জাপানি পরামর্শক নিপ্পন কোয়িকে। স্থান নির্বাচনে নিপ্পন কোয়ির সঙ্গে ১৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার চুক্তি করে বেবিচক। প্রায় পাঁচ বছর সমীক্ষার পর মাদারীপুরের শিবচরকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বেছে নেয় নিপ্পন কোয়ি। কিন্তু সেখানেও দেখা যায় নতুন চ্যালেঞ্জ। বিমানবন্দর নির্মাণে সামনে আসে ওই এলাকার প্রায় আট হাজার পরিবারকে স্থানান্তরিত করার জটিল প্রক্রিয়া। আবারও পিছু হটে সরকার। এরপর থেকেই থমকে যায় প্রকল্পের সব কাজ। তবে দেরিতে হলেও ফিজিবিলিটি রিপোর্ট জমা দিতে পেরেছে বেবিচক।

জানা যায়, ইনিশিয়াল এনভায়রনমেন্টাল এক্সামিনেশন (আইইই), এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট (ইআইএ) এবং রিসেটেলমেন্ট অ্যান্ড কমপেনসেশন ফ্রেমওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে দুটি জায়গা সুপারিশ করা হয়। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ যে কয়েকটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার একটি ছিল রাজধানীর কাছে আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি করা। মূলত ঢাকাকে আকাশ যোগাযোগের সংযোগস্থল বা হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। জাতির পিতার নামে সেই বিমানবন্দরের নামকরণ করা হয়।

২০১০ সালে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা প্রাথমিক ব্যয় ধরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। প্রকল্প প্রস্তাবনায় এ বিমানবন্দরে তিনটি রানওয়েতে প্রতিদিন যাত্রীবাহী ৪০০টি ও কার্গোবাহী ২০০টি ফ্লাইট ওঠানামার সুযোগ রাখা হয়। তবে আন্দোলনের মুখে আড়িয়াল বিলে জমি অধিগ্রহণের কাজ স্থগিত করা হয়। পরে সিদ্ধান্ত হয়, বিমানবন্দর হবে পদ্মার ওপারে, মাদারীপুর কিংবা শরীয়তপুরে। সরকার চাচ্ছে আগামী নির্বাচনের আগেই বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু করতে। সেভাবে কাজও এগোচ্ছে। এখন প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিলেই বিমানবন্দর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার সীমান্ত ঘেঁষে এ বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। ব্যয় হবে এক লাখ কোটি টাকা। যানজট থেকে যাত্রীদের মুক্তি দিতে ঢাকা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত একটি এক্সপ্রেসওয়ে বানানো হবে। ১০ বছরের ব্যবধানে বিমানবন্দরটির নির্মাণব্যয় বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। বিমানবন্দরটি চালুর আট বছরের মধ্যে যাত্রীর চাপ সামলাতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) তৈরি করবে মন্ত্রণালয়। ব্যয়ের দিক থেকে এটা হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেগা প্রকল্প। ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ প্রকল্পটি দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প। এর মোট ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা।

বিমানবন্দর ঘিরে থাকবে সংযোগ সড়ক আর অত্যাধুনিক নগর-জনপদ। ঢাকা থেকে দূরত্ব, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা, জমির পর্যাপ্ততা, আন্তর্জাতিক রুট, সড়ক, রেল ও নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, পুনর্বাসন, যাতায়াত খরচ ইত্যাদি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত স্থান নির্বাচন করা হবে।

এর আগে, ২০১০ সালে মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ২৫ হাজার একর জমি নিয়ে বিমানবন্দরটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। এর মধ্যে ১০ হাজার একর জমিতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ এবং বাকি ১৫ হাজার একর জমিতে বঙ্গবন্ধু সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু স্থানীয় এলাকাবাসীর তীব্র আপত্তি ও ক্রমাগত বিক্ষোভের মুখে পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার।

ট্যাগস

পদ্মাপাড়ে বিমানবন্দর তৈরির দুই স্থান খুঁজতেই ব্যয় ১৩৬ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০১:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

রাজধানী ঢাকার কাছে আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ ছিল বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি।  জাপানি পরামর্শকের মাধ্যমে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি চলে ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত। এক যুগে বিমানবন্দরের সম্ভাব্য নির্মাণব্যয় ঠেকেছে লাখ কোটিতে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে মাদারীপুরের ছিলারচর, খোয়াজপুর, উমেদপুর, দ্বিতীয়াখাণ্ডা, কাদিরপুর, ভদ্রাসন ও মাদারীপুর এলাকা চিহ্নিত করা হয়। শরীয়তপুর সদরের বিনোদপুর, চন্দ্রপুর, চিকন্দি ও মোহাম্মদপুর এবং জাজিরার বড় গোপালপুর, সেনের চর, বড় কৃষ্ণনগর, জয়নগরের নামও আসে। তবে একক কোনো স্থানের নাম এখনো পাওয়া যায়নি। দুটি স্থানের নাম নির্বাচন করেছে বেবিচক। ১৩৬ কোটি ৫৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা দিয়ে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করে বাছাই করা হয়েছে জায়গা দুটি। এর একটি হলো শরীয়তপুর সদর ও চর জানাজাত।

২০১৫ থেকে ২০২১ মেয়াদে এ ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করা হয়। এরই মধ্যে ফিজিবিলিটি রিপোর্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ে সবুজ সংকেত পেলেই একক স্থানের নাম ঘোষণা করবে বেবিচক।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) মো. খলিলুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি সবে শেষ করেছে বেবিচক। রিপোর্টে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা কাভার করে এমন দুটি স্থানের নাম সুপারিশ করা হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে বিমানবন্দর প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে নিয়োগ করা হয় জাপানি পরামর্শক নিপ্পন কোয়িকে। স্থান নির্বাচনে নিপ্পন কোয়ির সঙ্গে ১৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার চুক্তি করে বেবিচক। প্রায় পাঁচ বছর সমীক্ষার পর মাদারীপুরের শিবচরকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বেছে নেয় নিপ্পন কোয়ি। কিন্তু সেখানেও দেখা যায় নতুন চ্যালেঞ্জ। বিমানবন্দর নির্মাণে সামনে আসে ওই এলাকার প্রায় আট হাজার পরিবারকে স্থানান্তরিত করার জটিল প্রক্রিয়া। আবারও পিছু হটে সরকার। এরপর থেকেই থমকে যায় প্রকল্পের সব কাজ। তবে দেরিতে হলেও ফিজিবিলিটি রিপোর্ট জমা দিতে পেরেছে বেবিচক।

জানা যায়, ইনিশিয়াল এনভায়রনমেন্টাল এক্সামিনেশন (আইইই), এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট (ইআইএ) এবং রিসেটেলমেন্ট অ্যান্ড কমপেনসেশন ফ্রেমওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে দুটি জায়গা সুপারিশ করা হয়। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ যে কয়েকটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার একটি ছিল রাজধানীর কাছে আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি করা। মূলত ঢাকাকে আকাশ যোগাযোগের সংযোগস্থল বা হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। জাতির পিতার নামে সেই বিমানবন্দরের নামকরণ করা হয়।

২০১০ সালে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা প্রাথমিক ব্যয় ধরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। প্রকল্প প্রস্তাবনায় এ বিমানবন্দরে তিনটি রানওয়েতে প্রতিদিন যাত্রীবাহী ৪০০টি ও কার্গোবাহী ২০০টি ফ্লাইট ওঠানামার সুযোগ রাখা হয়। তবে আন্দোলনের মুখে আড়িয়াল বিলে জমি অধিগ্রহণের কাজ স্থগিত করা হয়। পরে সিদ্ধান্ত হয়, বিমানবন্দর হবে পদ্মার ওপারে, মাদারীপুর কিংবা শরীয়তপুরে। সরকার চাচ্ছে আগামী নির্বাচনের আগেই বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু করতে। সেভাবে কাজও এগোচ্ছে। এখন প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিলেই বিমানবন্দর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার সীমান্ত ঘেঁষে এ বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। ব্যয় হবে এক লাখ কোটি টাকা। যানজট থেকে যাত্রীদের মুক্তি দিতে ঢাকা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত একটি এক্সপ্রেসওয়ে বানানো হবে। ১০ বছরের ব্যবধানে বিমানবন্দরটির নির্মাণব্যয় বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। বিমানবন্দরটি চালুর আট বছরের মধ্যে যাত্রীর চাপ সামলাতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) তৈরি করবে মন্ত্রণালয়। ব্যয়ের দিক থেকে এটা হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেগা প্রকল্প। ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ প্রকল্পটি দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প। এর মোট ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা।

বিমানবন্দর ঘিরে থাকবে সংযোগ সড়ক আর অত্যাধুনিক নগর-জনপদ। ঢাকা থেকে দূরত্ব, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা, জমির পর্যাপ্ততা, আন্তর্জাতিক রুট, সড়ক, রেল ও নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, পুনর্বাসন, যাতায়াত খরচ ইত্যাদি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত স্থান নির্বাচন করা হবে।

এর আগে, ২০১০ সালে মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ২৫ হাজার একর জমি নিয়ে বিমানবন্দরটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। এর মধ্যে ১০ হাজার একর জমিতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ এবং বাকি ১৫ হাজার একর জমিতে বঙ্গবন্ধু সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু স্থানীয় এলাকাবাসীর তীব্র আপত্তি ও ক্রমাগত বিক্ষোভের মুখে পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/visionnewstoday/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481