ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর Logo শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় গ্রেপ্তার ২ Logo জেনিফার লোপেজের নতুন প্রেমের গুঞ্জন!

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সংঘর্ষে নিহত ৩

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সংঘর্ষে নিহত ৩

যশোর প্রতিনিধিঃ যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যায় নিহতদের মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।নিহতরা হচ্ছে- বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার তালিবপুর পূর্ব পাড়ার-

নান্নু প্রামাণিকের ছেলে নাঈম হোসেন (১৭), খুলনার দৌলতপুরের রোজা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি (১৮) ও রাসেল হোসেন (১৮)। রাসেল হোসেনের পুরো ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি।

নিহতদের মধ্যে নাঈম হোসেন ধর্ষণ এবং পারভেজ হত্যা মামলায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অন্তরীণ ছিল। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

যশোর পুলিশের ডিএসবির পরিদর্শক (ডিআই-১) এম মশিউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নিহত হয়েছে।

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় মরদেহ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছেন। কী কারণে এবং কখন এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মুশফিক জানান, কয়েকদিন আগে কেন্দ্রে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার একটু আগে আবার সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে নাইম, রাব্বি ও রাসেল হোসেন গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক অমিয় দাস জানান, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের একটা গাড়িতে তিন কিশোরকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদেরকে মৃত অবস্থায় পান চিকিৎসকরা। তাদের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে যান যশোরের পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেনসহ পুলিশের কর্মকর্তারা। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা ওই কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন।

ট্যাগস

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সংঘর্ষে নিহত ৩

আপডেট সময় ০৯:১৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০

যশোর প্রতিনিধিঃ যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যায় নিহতদের মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।নিহতরা হচ্ছে- বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার তালিবপুর পূর্ব পাড়ার-

নান্নু প্রামাণিকের ছেলে নাঈম হোসেন (১৭), খুলনার দৌলতপুরের রোজা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি (১৮) ও রাসেল হোসেন (১৮)। রাসেল হোসেনের পুরো ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি।

নিহতদের মধ্যে নাঈম হোসেন ধর্ষণ এবং পারভেজ হত্যা মামলায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অন্তরীণ ছিল। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

যশোর পুলিশের ডিএসবির পরিদর্শক (ডিআই-১) এম মশিউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নিহত হয়েছে।

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় মরদেহ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছেন। কী কারণে এবং কখন এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মুশফিক জানান, কয়েকদিন আগে কেন্দ্রে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার একটু আগে আবার সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে নাইম, রাব্বি ও রাসেল হোসেন গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক অমিয় দাস জানান, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের একটা গাড়িতে তিন কিশোরকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদেরকে মৃত অবস্থায় পান চিকিৎসকরা। তাদের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে যান যশোরের পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেনসহ পুলিশের কর্মকর্তারা। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা ওই কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন।