ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর Logo শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় গ্রেপ্তার ২ Logo জেনিফার লোপেজের নতুন প্রেমের গুঞ্জন!

দুই ব্রিটিশ রাজপুত্রের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ

ব্রিটিশ দুই রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারি এবং প্রিন্স উইলিয়াম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  ব্রিটিশ দুই রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারি এবং প্রিন্স উইলিয়ামের বিরুদ্ধে দাতব্য অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তাদের দাতব্য সংস্থাকে তদন্তের আওতায় নেয়া হয়েছে। 

প্রিন্স হ্যারির আইনজীবীরা অবশ্য বলছেন এধরনের অভিযোগ খুবই আক্রমণাত্মক। ওই অনুদানের টাকা এসেছিল উইলিয়াম  ও কেটের রয়াল-

ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে। প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মারকেলকে সাসেক্স রয়াল চ্যারিটি গঠন করতে দেয়া হয়েছিল এ টাকায়।

এছাড়া প্রিন্স হ্যারির ট্রাভেল সংস্থা ট্রাভেললিস্টকেও অনুদান দেয়া হয়েছিল। এ কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি এবং প্রিন্স হ্যারি এর ৭৫ শতাংশ অংশের মালিক।

কিন্তু এ কোম্পানিকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন। এদিকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া একটি সংগঠন রিপাবলিক দাবি করছে প্রিন্স হ্যারি ও উইলিয়ামের কারণেই সহজে অনুদান পাওয়া সম্ভব হয়েছে।

এবং অনুদানের অপব্যবহারও হয়েছে। এধরনের অভিযোগ নাকচ করা হলেও রিপাবলিকের নির্বাহী প্রধান গ্রাহাম স্মিথ চ্যারিটি কমিশনের কাছে-

অভিযোগ জানিয়ে বলছেন দাতব্য নয় এমন কোম্পানি ট্রাভেললিস্ট এধরনের অনুদান পেয়েছে।একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এধরনের অনুদান ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্মিথ উল্লেখ করেছেন, সম্ভবত আমি এখানে কিছু মিস করছি, তবে আমার বিশ্বাস করা কঠিন হয় যে একটি দাতব্য সংস্থা একটি নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে এই অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেবে, স্মিথ উল্লেখ করেছিলেন।

রয়েল ফাউন্ডেশন প্রিন্স হ্যারির পোষা প্রকল্পগুলিতে প্রায় দুই লাখ নব্বই হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় ৩০০ কোটি)  ক্ষতি করেছে, হ্যারির নিজস্ব দাতব্য সংস্থা এখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং মনে হয় যে তিনি দাতব্য অর্থের অর্থটি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন।

আমি দেখতে পাচ্ছি, এটি দাতব্য আইনের লঙ্ঘন। চ্যারিটি কমিশনের কাছে এখন প্রিন্স হ্যারি ও উইলিয়ামকে এ বিষয়টি নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে।

তাদের মুখপাত্র, বলেছেন এধরনের অনুদান ব্যবহারে বিধি ভঙ্গ যাতে না হয় সেজন্যে প্রিন্স হ্যারি ও উইলিয়াম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উইলিয়াম এবং কেটসের রয়েল ফাউন্ডেশন হ্যারি এবং মেঘান মার্কেল তাদের সাসেক্স রয়েল দাতব্য সংস্থাটি রাজকীয় জীবন-

ত্যাগ করার আগে সহায়তা করার জন্য এই অর্থের অনুদান দিয়েছিল। ফাউন্ডেশন হ্যারি’র টেকসই ভ্রমণ সংস্থা ট্র্যাভালাইস্টকে অনুদানও দিয়েছিল।

গত দুই বছরে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন দাতব্য প্রকল্পগুলির সাথে, প্রায়শই হাত বদল হয়েছে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগে সমালোচকরা হ্যারি ও উইলিয়ামকে অভিযুক্ত করছেন.

 

ট্যাগস

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুই ব্রিটিশ রাজপুত্রের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  ব্রিটিশ দুই রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারি এবং প্রিন্স উইলিয়ামের বিরুদ্ধে দাতব্য অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তাদের দাতব্য সংস্থাকে তদন্তের আওতায় নেয়া হয়েছে। 

প্রিন্স হ্যারির আইনজীবীরা অবশ্য বলছেন এধরনের অভিযোগ খুবই আক্রমণাত্মক। ওই অনুদানের টাকা এসেছিল উইলিয়াম  ও কেটের রয়াল-

ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে। প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মারকেলকে সাসেক্স রয়াল চ্যারিটি গঠন করতে দেয়া হয়েছিল এ টাকায়।

এছাড়া প্রিন্স হ্যারির ট্রাভেল সংস্থা ট্রাভেললিস্টকেও অনুদান দেয়া হয়েছিল। এ কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি এবং প্রিন্স হ্যারি এর ৭৫ শতাংশ অংশের মালিক।

কিন্তু এ কোম্পানিকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন। এদিকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া একটি সংগঠন রিপাবলিক দাবি করছে প্রিন্স হ্যারি ও উইলিয়ামের কারণেই সহজে অনুদান পাওয়া সম্ভব হয়েছে।

এবং অনুদানের অপব্যবহারও হয়েছে। এধরনের অভিযোগ নাকচ করা হলেও রিপাবলিকের নির্বাহী প্রধান গ্রাহাম স্মিথ চ্যারিটি কমিশনের কাছে-

অভিযোগ জানিয়ে বলছেন দাতব্য নয় এমন কোম্পানি ট্রাভেললিস্ট এধরনের অনুদান পেয়েছে।একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এধরনের অনুদান ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্মিথ উল্লেখ করেছেন, সম্ভবত আমি এখানে কিছু মিস করছি, তবে আমার বিশ্বাস করা কঠিন হয় যে একটি দাতব্য সংস্থা একটি নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে এই অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেবে, স্মিথ উল্লেখ করেছিলেন।

রয়েল ফাউন্ডেশন প্রিন্স হ্যারির পোষা প্রকল্পগুলিতে প্রায় দুই লাখ নব্বই হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় ৩০০ কোটি)  ক্ষতি করেছে, হ্যারির নিজস্ব দাতব্য সংস্থা এখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং মনে হয় যে তিনি দাতব্য অর্থের অর্থটি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন।

আমি দেখতে পাচ্ছি, এটি দাতব্য আইনের লঙ্ঘন। চ্যারিটি কমিশনের কাছে এখন প্রিন্স হ্যারি ও উইলিয়ামকে এ বিষয়টি নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে।

তাদের মুখপাত্র, বলেছেন এধরনের অনুদান ব্যবহারে বিধি ভঙ্গ যাতে না হয় সেজন্যে প্রিন্স হ্যারি ও উইলিয়াম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উইলিয়াম এবং কেটসের রয়েল ফাউন্ডেশন হ্যারি এবং মেঘান মার্কেল তাদের সাসেক্স রয়েল দাতব্য সংস্থাটি রাজকীয় জীবন-

ত্যাগ করার আগে সহায়তা করার জন্য এই অর্থের অনুদান দিয়েছিল। ফাউন্ডেশন হ্যারি’র টেকসই ভ্রমণ সংস্থা ট্র্যাভালাইস্টকে অনুদানও দিয়েছিল।

গত দুই বছরে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন দাতব্য প্রকল্পগুলির সাথে, প্রায়শই হাত বদল হয়েছে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগে সমালোচকরা হ্যারি ও উইলিয়ামকে অভিযুক্ত করছেন.