ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার পৃথিবীর খুব কাছেই নতুন ‘ব্লাকহোল’ আবিষ্কার!

করোনায় ভেঙেচুরে যাওয়া পৃথিবীর কাছে নতুন ‘ব্লাকহোল’ আবিষ্কার! (প্রতীকী ছবি)

প্রযুক্তি ডেস্কঃ  প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে ভেঙেচুরে যাওয়া পৃথিবী থেকে মাত্র এক হাজার আলোকবর্ষ দূরে নতুন একটি ‘কৃষ্ণগহ্বর’ বা ব্লাকহোলের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নতুন এই ব্ল্যাকহোলটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের, এমনকি খালি চোখেও দৃশ্যমান এটা।

সম্প্রতি ইউরোপিয়ান সাদার্ন অবজারভেটরি অর্গানাইজেশন সংস্থার এক দল গবেষক নতুন এই ব্ল্যাকহোলটিকে খুঁজে পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পৃথিবীর খুব কাছের এই কৃষ্ণগহ্বরটির অবস্থান মহাকাশের টেলিস্কোপিয়াম নক্ষত্রপুঞ্জের মধ্যে। যাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে একটি নক্ষত্র। আবার সেই নক্ষত্রটির কক্ষপথ ধরে বাইরে থেকে ব্ল্যাকহোলটিকে প্রদক্ষিণ করছে অন্য আরেকটি নক্ষত্র।

বিজ্ঞানীরা নতুন আবিষ্কৃত এই ব্ল্যাকহোলটির নাম দিয়েছেন এইচআর৬৮১৯ (HR6819)। পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব মাত্র এক হাজার ১১ আলোকবর্ষ বা ৫ দশমিক ৮৮ লাখ কোটি মাইল। আপত দৃষ্টিতে এটি বহু দূরের মনে হলেও মহাবিশ্বের হিসেবে এটি পৃথিবীর খুবই কাছের একটি ব্ল্যাকহোল। বিপরীতে, এর আগে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম ব্ল্যাকহোলটির দূরত্ব ছিল ৩ হাজার ৫০০ আলোকবর্ষ। সেই হিসাবে এটাকে নিকটবর্তী বলাই যায়।

এ বিষয়ে ইউরোপিয়ান সাদার্ন অবজারভেটরি অর্গানাইজেশনের মহাকাশ বিজ্ঞানী ডিয়েট্রিচ বাড বলেন, কৃষ্ণগহ্বরটিকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা নক্ষত্র দুটিকে টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়াই খালি চোখে আকাশে দেখা যায়। তবে বর্তমানে কৃষ্ণগহ্বরটির অবস্থান সূর্যের পেছনে থাকায় নক্ষত্র দুটি দেখার সুযোগ নেই।

তথ্যসূত্র: ইনকুইস্টার।

ট্যাগস

এবার পৃথিবীর খুব কাছেই নতুন ‘ব্লাকহোল’ আবিষ্কার!

আপডেট সময় ০৩:২২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০

প্রযুক্তি ডেস্কঃ  প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে ভেঙেচুরে যাওয়া পৃথিবী থেকে মাত্র এক হাজার আলোকবর্ষ দূরে নতুন একটি ‘কৃষ্ণগহ্বর’ বা ব্লাকহোলের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নতুন এই ব্ল্যাকহোলটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের, এমনকি খালি চোখেও দৃশ্যমান এটা।

সম্প্রতি ইউরোপিয়ান সাদার্ন অবজারভেটরি অর্গানাইজেশন সংস্থার এক দল গবেষক নতুন এই ব্ল্যাকহোলটিকে খুঁজে পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পৃথিবীর খুব কাছের এই কৃষ্ণগহ্বরটির অবস্থান মহাকাশের টেলিস্কোপিয়াম নক্ষত্রপুঞ্জের মধ্যে। যাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে একটি নক্ষত্র। আবার সেই নক্ষত্রটির কক্ষপথ ধরে বাইরে থেকে ব্ল্যাকহোলটিকে প্রদক্ষিণ করছে অন্য আরেকটি নক্ষত্র।

বিজ্ঞানীরা নতুন আবিষ্কৃত এই ব্ল্যাকহোলটির নাম দিয়েছেন এইচআর৬৮১৯ (HR6819)। পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব মাত্র এক হাজার ১১ আলোকবর্ষ বা ৫ দশমিক ৮৮ লাখ কোটি মাইল। আপত দৃষ্টিতে এটি বহু দূরের মনে হলেও মহাবিশ্বের হিসেবে এটি পৃথিবীর খুবই কাছের একটি ব্ল্যাকহোল। বিপরীতে, এর আগে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম ব্ল্যাকহোলটির দূরত্ব ছিল ৩ হাজার ৫০০ আলোকবর্ষ। সেই হিসাবে এটাকে নিকটবর্তী বলাই যায়।

এ বিষয়ে ইউরোপিয়ান সাদার্ন অবজারভেটরি অর্গানাইজেশনের মহাকাশ বিজ্ঞানী ডিয়েট্রিচ বাড বলেন, কৃষ্ণগহ্বরটিকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা নক্ষত্র দুটিকে টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়াই খালি চোখে আকাশে দেখা যায়। তবে বর্তমানে কৃষ্ণগহ্বরটির অবস্থান সূর্যের পেছনে থাকায় নক্ষত্র দুটি দেখার সুযোগ নেই।

তথ্যসূত্র: ইনকুইস্টার।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/visionnewstoday/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481