ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনায় কপাল খুলেছে নওগাঁর লেবু চাষিদের

লেবু গাছ

স্টাফ রিপোর্টার, নওগাঁঃ  এখনও পর্যন্ত করোনার কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। ভিটামিন সি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর সে কারণে লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বলছেন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি খেতে হবে। আর তাই করোনা সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে লেবুর চাহিদা।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন সি যুক্ত লেবুর চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে অনেকগুন।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম  বলেন, ৭ বিঘা জমিতে ১২ মাস জাতের লেবু চাষ করেছি। করোনাকালের পরিস্থিততে গেলো দুই মাসেই বাগান থেকে লেবু বিক্রি করেছি প্রায় ১৪ লাখ টাকার।

তিনি বলেন, লেবু চাষে তুলনামূলক পানি সেচ তেমন একটা লাগে না। সারসহ পরিচর্যা আর শ্রমিক খরচ খুবই কম। তাই বরেন্দ্র ভূমিতে ক্রমেই বাড়ছে লেবুর বাগান। এ বছর লেবু বিক্রিতে চাষিদের কোনো সমস্যা হয়নি।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জমিতে এসেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন লেবু। এখন প্রতিটি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সর্বচ্চ ৭ টাকা পিস পর্যন্ত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম  জানান, অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এ মৌসুমে সবচেয়ে ভালো ফলন ও দাম পাচ্ছেন নওগাঁর লেবু চাষিরা।

জেলাজুড়ে এ বছর ৩ জাতের লেবু চাষ হয়েছে। প্রায় দেড়শ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে লেবু। লেবুর আবাদ বাড়াতে এ বছর থেকে আলাদা প্রকল্প হাতে নিয়েছে জেলা কৃষিবিভাগ। দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ ও অর্থিক সহযোগিতা।

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

করোনায় কপাল খুলেছে নওগাঁর লেবু চাষিদের

আপডেট সময় ০৬:৪১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, নওগাঁঃ  এখনও পর্যন্ত করোনার কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। ভিটামিন সি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর সে কারণে লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বলছেন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি খেতে হবে। আর তাই করোনা সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে লেবুর চাহিদা।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন সি যুক্ত লেবুর চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে অনেকগুন।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম  বলেন, ৭ বিঘা জমিতে ১২ মাস জাতের লেবু চাষ করেছি। করোনাকালের পরিস্থিততে গেলো দুই মাসেই বাগান থেকে লেবু বিক্রি করেছি প্রায় ১৪ লাখ টাকার।

তিনি বলেন, লেবু চাষে তুলনামূলক পানি সেচ তেমন একটা লাগে না। সারসহ পরিচর্যা আর শ্রমিক খরচ খুবই কম। তাই বরেন্দ্র ভূমিতে ক্রমেই বাড়ছে লেবুর বাগান। এ বছর লেবু বিক্রিতে চাষিদের কোনো সমস্যা হয়নি।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জমিতে এসেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন লেবু। এখন প্রতিটি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সর্বচ্চ ৭ টাকা পিস পর্যন্ত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম  জানান, অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এ মৌসুমে সবচেয়ে ভালো ফলন ও দাম পাচ্ছেন নওগাঁর লেবু চাষিরা।

জেলাজুড়ে এ বছর ৩ জাতের লেবু চাষ হয়েছে। প্রায় দেড়শ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে লেবু। লেবুর আবাদ বাড়াতে এ বছর থেকে আলাদা প্রকল্প হাতে নিয়েছে জেলা কৃষিবিভাগ। দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ ও অর্থিক সহযোগিতা।