ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সড়কে পোশাক শ্রমিকেরা

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর বিমানবন্দর ও উত্তরার জসীমউদ্‌দীন এলাকায় আজও আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লাসহ সাধারণ যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) চতুর্থ দিনের মতো কর্মসূচি পালন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

আন্দোলনে উত্তরার একাধিক পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা অংশ নেন। তাদের দাবি, বর্তমান বেতন-ভাতা দিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে তারা কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন।

কিশোরগঞ্জ থেকে আসা অনন্যা পরিবহনের যাত্রী আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘জ্যামে যেন না পড়তে হয় এজন্য একদম ভোরে রওনা দিয়েছি। কিন্তু এখানে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে আছি। কখন রাস্তা ছাড়বে, কখন গন্তব্যে পৌঁছাব কিছুই জানি না।’

শেহজাদ আহমেদ নামে রাইদা পরিবহনের এক যাত্রী বলেন, ‘বাড্ডায় অফিস ধরব, এই লক্ষণ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছি। কিন্তু আন্দোলনের কারণে অনেকক্ষণ আটকে থেকে এখন পায়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছি। দেখি কতদূর যেতে পারি।’

এরআগে, বুধবার সকাল থেকে বিমানবন্দর ও জসীমউদ্‌দীন এলাকার বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন কয়েক’শ পোশাকশ্রমিক। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

বুধবারের কর্মসূচি সম্পর্কে বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সকাল থেকে বিমানবন্দর ও জসীমউদ্‌দীন পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে কয়েক’শ পোশাকশ্রমিক অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে বেলা দেড়টার দিকে তারা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ওই দিন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানিয়েছিলেন, বুধবারের মতো কর্মসূচি শেষ হলেও বৃহস্পতিবার আবারও তারা রাস্তায় নামবেন। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।

সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সড়কে পোশাক শ্রমিকেরা

আপডেট সময় ১২:২২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর বিমানবন্দর ও উত্তরার জসীমউদ্‌দীন এলাকায় আজও আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লাসহ সাধারণ যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) চতুর্থ দিনের মতো কর্মসূচি পালন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

আন্দোলনে উত্তরার একাধিক পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা অংশ নেন। তাদের দাবি, বর্তমান বেতন-ভাতা দিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে তারা কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন।

কিশোরগঞ্জ থেকে আসা অনন্যা পরিবহনের যাত্রী আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘জ্যামে যেন না পড়তে হয় এজন্য একদম ভোরে রওনা দিয়েছি। কিন্তু এখানে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে আছি। কখন রাস্তা ছাড়বে, কখন গন্তব্যে পৌঁছাব কিছুই জানি না।’

শেহজাদ আহমেদ নামে রাইদা পরিবহনের এক যাত্রী বলেন, ‘বাড্ডায় অফিস ধরব, এই লক্ষণ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছি। কিন্তু আন্দোলনের কারণে অনেকক্ষণ আটকে থেকে এখন পায়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছি। দেখি কতদূর যেতে পারি।’

এরআগে, বুধবার সকাল থেকে বিমানবন্দর ও জসীমউদ্‌দীন এলাকার বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন কয়েক’শ পোশাকশ্রমিক। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

বুধবারের কর্মসূচি সম্পর্কে বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সকাল থেকে বিমানবন্দর ও জসীমউদ্‌দীন পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে কয়েক’শ পোশাকশ্রমিক অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে বেলা দেড়টার দিকে তারা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ওই দিন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানিয়েছিলেন, বুধবারের মতো কর্মসূচি শেষ হলেও বৃহস্পতিবার আবারও তারা রাস্তায় নামবেন। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।

সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।