ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর Logo শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় গ্রেপ্তার ২ Logo জেনিফার লোপেজের নতুন প্রেমের গুঞ্জন!

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফাঁসছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের  ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে  তার বিরুদ্ধে মামলা  দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) বিচারক মোশাররফ হোসেন রোববার এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। তাঁর হেফাজতে থাকা এক হাজার ইয়াবা বড়ি দিয়ে ওই ছাত্রীকে বেআইনিভাবে আটক করেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেন।

এ জন্য এসআই সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন। জানতে চাইলে আহসানুর রহমান গতকাল সোমবার  বলেন, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেতে ওই ছাত্রীর বাসায় অভিযান চালানো হয়। তখন তাঁর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন এসআই সাজ্জাদ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, জামিনে বের হওয়ার পর ওই ছাত্রী অভিযোগ করেন, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি ঘটনার তদন্ত করেন। তদন্তে উঠে আসে সেদিন ওই ছাত্রীর কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়নি। আহসানুর আরও বলেন, যে নারী এসআইয়ের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর দেহ তল্লাশি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, সেই এসআই রোকেয়া আক্তার লিখিতভাবে জানান, ওই দিন তিনি অভিযানে যাননি। ওই ছাত্রীকেও তিনি চেনেন না।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগরের (উত্তর) উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান  বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে এসআই সাজ্জাদ মিথ্যা মামলা দেন। এদিকে এসআই সাজ্জাদ  দাবি করেছেন, ওই ছাত্রীর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেই তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবার আহসানুর রহমানকে তিনি বলেছিলেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। মিথ্যা মামলার কারণে আমাকে চার মাস জেল খাটতে হয়েছে। আমি তাঁর উপযুক্ত শাস্তি চাই।’

 

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফাঁসছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ১১:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের  ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে  তার বিরুদ্ধে মামলা  দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) বিচারক মোশাররফ হোসেন রোববার এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। তাঁর হেফাজতে থাকা এক হাজার ইয়াবা বড়ি দিয়ে ওই ছাত্রীকে বেআইনিভাবে আটক করেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেন।

এ জন্য এসআই সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন। জানতে চাইলে আহসানুর রহমান গতকাল সোমবার  বলেন, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেতে ওই ছাত্রীর বাসায় অভিযান চালানো হয়। তখন তাঁর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন এসআই সাজ্জাদ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, জামিনে বের হওয়ার পর ওই ছাত্রী অভিযোগ করেন, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি ঘটনার তদন্ত করেন। তদন্তে উঠে আসে সেদিন ওই ছাত্রীর কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়নি। আহসানুর আরও বলেন, যে নারী এসআইয়ের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর দেহ তল্লাশি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, সেই এসআই রোকেয়া আক্তার লিখিতভাবে জানান, ওই দিন তিনি অভিযানে যাননি। ওই ছাত্রীকেও তিনি চেনেন না।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগরের (উত্তর) উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান  বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে এসআই সাজ্জাদ মিথ্যা মামলা দেন। এদিকে এসআই সাজ্জাদ  দাবি করেছেন, ওই ছাত্রীর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেই তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবার আহসানুর রহমানকে তিনি বলেছিলেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। মিথ্যা মামলার কারণে আমাকে চার মাস জেল খাটতে হয়েছে। আমি তাঁর উপযুক্ত শাস্তি চাই।’