ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছেলের বাড়ী থেকে বিয়ের কথা বলে এসে, ঘরে দেখতে পাই মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ

প্রতীকী ছবি

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী শহরের শিবপুর এলাকায় আয়েশা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে আয়েশা।

 

সে উত্তর শিবপুর উজির আলী ভূঁঞা বাড়ির হানিফের ছোট মেয়ে। শহীদ মেজর সালাহউদ্দিন (বীর উত্তম) উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।

নিহত কিশোরীর বাবা  জানান, একই এলাকার শফিকুর রহমানের ছোট ছেলে নূর আলম আরমান হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল আয়েশার।

পাঁচ মাস আগে জানতে পেরে তিনি বিষয়টি শফিকুর রহমানকে অবগত করেন এবং ছেলেকে সামলাতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন মেয়ে তার বিয়ের বিষয়ে আরমানের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে আমায় চাপ দেয়।

তিনি আরও বলেন, গতরাতেও আমি মেয়েকে বুঝিয়েছি, মেয়ের পাগলামী দেখে আমি সকালে ছেলের বাবার সঙ্গে কথা বলতে যাই। ফিরে এসে ঘরে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখি। এরপর আমার চিৎকারে আশেপাশের সবাই ছুটে আসেন।

প্রতিবেশী শাহেনা আক্তার বকুল বলেন, প্রেমের বিষয়ে যেহেতু উভয় পরিবার আগে থেকে অবগত তাই উচিত ছিল এলাকার কয়েকজন মুরব্বির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টা গুরুত্ব দেওয়া।

আরমানের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের লোকজন জানায় সে তার নানার বাড়িতে গেছে।

আরমানের বাবা শফিকুর রহমান বলেন, ছেলের সঙ্গে আয়েশার সম্পর্কের কথা জানতাম তবে ছেলেকে সরে আসতে বলেছি। মেয়েটা আাত্মহত্যা করবে কেউ ভাবেনি।

একাধিক প্রতিবেশী দাবি করেন, আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আত্মহত্যার বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম  জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে অপমৃত্যুর মামলা দাযের করা হবে।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

ছেলের বাড়ী থেকে বিয়ের কথা বলে এসে, ঘরে দেখতে পাই মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ

আপডেট সময় ০৫:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২০

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী শহরের শিবপুর এলাকায় আয়েশা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে আয়েশা।

 

সে উত্তর শিবপুর উজির আলী ভূঁঞা বাড়ির হানিফের ছোট মেয়ে। শহীদ মেজর সালাহউদ্দিন (বীর উত্তম) উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।

নিহত কিশোরীর বাবা  জানান, একই এলাকার শফিকুর রহমানের ছোট ছেলে নূর আলম আরমান হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল আয়েশার।

পাঁচ মাস আগে জানতে পেরে তিনি বিষয়টি শফিকুর রহমানকে অবগত করেন এবং ছেলেকে সামলাতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন মেয়ে তার বিয়ের বিষয়ে আরমানের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে আমায় চাপ দেয়।

তিনি আরও বলেন, গতরাতেও আমি মেয়েকে বুঝিয়েছি, মেয়ের পাগলামী দেখে আমি সকালে ছেলের বাবার সঙ্গে কথা বলতে যাই। ফিরে এসে ঘরে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখি। এরপর আমার চিৎকারে আশেপাশের সবাই ছুটে আসেন।

প্রতিবেশী শাহেনা আক্তার বকুল বলেন, প্রেমের বিষয়ে যেহেতু উভয় পরিবার আগে থেকে অবগত তাই উচিত ছিল এলাকার কয়েকজন মুরব্বির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টা গুরুত্ব দেওয়া।

আরমানের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের লোকজন জানায় সে তার নানার বাড়িতে গেছে।

আরমানের বাবা শফিকুর রহমান বলেন, ছেলের সঙ্গে আয়েশার সম্পর্কের কথা জানতাম তবে ছেলেকে সরে আসতে বলেছি। মেয়েটা আাত্মহত্যা করবে কেউ ভাবেনি।

একাধিক প্রতিবেশী দাবি করেন, আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আত্মহত্যার বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম  জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে অপমৃত্যুর মামলা দাযের করা হবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/visionnewstoday/public_html/wp-includes/functions.php on line 5471