ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নে আম কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীর নাজমুন নাহার ঝুমুর (১১) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ভিত্তিতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে চরকাঁকড়ার ৩নং ওয়ার্ডের আলমের বাপের নতুন বাড়ী থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। সে স্থানীয় সমরত বানু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে শনিবার ভোর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড ভেগে বাতাস শুরু হলে বাগানে আম পড়ে। সকাল ৮টার দিকে মামাতো ভাই রাফি ও মামাতো বোন প্রমির সাথে বাড়ীর পাশ^বর্তী বাগানে আম কুড়াতে যায় ঝুমুর। আম কুড়ানো শেষে অপর দুই জন বাড়ীতে ফিরলেও ঝুমুর আর ফিরেনি। পরে পাশ^বর্তী সোনিয়া আক্তার নামের এক মহিলা বাগানের পাশের খালে ভিতের ঝুমুরকে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ীতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন এসে তার লাশ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্যাতনের চিহৃ রয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

আপডেট সময় ১২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০১৯

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নে আম কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীর নাজমুন নাহার ঝুমুর (১১) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ভিত্তিতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে চরকাঁকড়ার ৩নং ওয়ার্ডের আলমের বাপের নতুন বাড়ী থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। সে স্থানীয় সমরত বানু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে শনিবার ভোর থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড ভেগে বাতাস শুরু হলে বাগানে আম পড়ে। সকাল ৮টার দিকে মামাতো ভাই রাফি ও মামাতো বোন প্রমির সাথে বাড়ীর পাশ^বর্তী বাগানে আম কুড়াতে যায় ঝুমুর। আম কুড়ানো শেষে অপর দুই জন বাড়ীতে ফিরলেও ঝুমুর আর ফিরেনি। পরে পাশ^বর্তী সোনিয়া আক্তার নামের এক মহিলা বাগানের পাশের খালে ভিতের ঝুমুরকে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ীতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন এসে তার লাশ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্যাতনের চিহৃ রয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।