ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর Logo শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় গ্রেপ্তার ২ Logo জেনিফার লোপেজের নতুন প্রেমের গুঞ্জন!

১০ ডিসেম্বর রাণীনগরবসীর জন্য একটি স্মরণীয় দিন ।

১৯৭১সালে ১৬ ডিসেম্বর আমদের ঐতিহাসিক বিজয় দিবস হলেও ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর নওগাঁর রাণীনগরবাসীর বাসীর জন্য একটি  স্মরণীয় দিন। এদিনেই বীর মুক্তিযোদ্ধদের সাথে পাকিস্তানি সেনা বাহিনির সাথে ৩৬ ঘণ্টাব্যাপি সম্মুখযুদ্ধের পর প্রথম হানাদারমুক্ত হয়। তবে নতুন প্রজন্মের কাছে এই বীরত্বপূর্ণ সম্মুখযুদ্ধ জয়ের বার্তা পৌঁছে দিতে আজো নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিস্তম্ভ কিংবা বিজয় স্তম্ভ।

জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর রাণীনগর আজকের এই দিনে শত্রুমুক্ত হয়। বিজয় উল্লাস আর জয় বাংলা জয়ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তুলেছিল রাণীনগরের আকাশ-বাতাস। ১৯৭১-এর ৯ ডিসেম্বর রাণীনগর শত্রুমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা থানা সদরের পাকসেনা ক্যাম্প চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন। পরদিন ১০ ডিসেম্বর ভোরে উভয়পক্ষে ৩৬ ঘণ্টার সম্মুখযুদ্ধ হয়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে ১৭ জন রাজাকার অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। এ সময় পাক বাহিনি রেললাইন ধরে সান্তাহার অভিমুখে পালিয়ে যায়। ওই যুদ্ধে লুৎফর রহমান নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ হন।

উপজেলা আ’লী নেতার রাহিদ সরদার বলেন, সম্মুখযুদ্ধের কথা আমি বাবার মুখে শুনেছি। দুঃখের বিষয়- এতোবড় একটি বিশাল অর্জনকে নিয়ে নতুন প্রজন্মের জন্য কোনো বার্তা নেই। বিজয়ের স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করছি

সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন বলেন, দিনটি জাতির জন্য স্মরণীয় ও গৌরবের দিন। কিন্তু খুবই দুঃখজনক যে, বিজয়ের ৫২ বছর পরেও বিজয়স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি।

আলহাজ্জ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি বলেন, জনগণের সেবায় দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে সচেষ্টা থাকবো। তবে খুব শিগগিরই উপজেলায় বিজয়স্তম্ভ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চাইবো। যাতে করে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১০ ডিসেম্বর রাণীনগরবসীর জন্য একটি স্মরণীয় দিন ।

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

১৯৭১সালে ১৬ ডিসেম্বর আমদের ঐতিহাসিক বিজয় দিবস হলেও ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর নওগাঁর রাণীনগরবাসীর বাসীর জন্য একটি  স্মরণীয় দিন। এদিনেই বীর মুক্তিযোদ্ধদের সাথে পাকিস্তানি সেনা বাহিনির সাথে ৩৬ ঘণ্টাব্যাপি সম্মুখযুদ্ধের পর প্রথম হানাদারমুক্ত হয়। তবে নতুন প্রজন্মের কাছে এই বীরত্বপূর্ণ সম্মুখযুদ্ধ জয়ের বার্তা পৌঁছে দিতে আজো নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিস্তম্ভ কিংবা বিজয় স্তম্ভ।

জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর রাণীনগর আজকের এই দিনে শত্রুমুক্ত হয়। বিজয় উল্লাস আর জয় বাংলা জয়ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তুলেছিল রাণীনগরের আকাশ-বাতাস। ১৯৭১-এর ৯ ডিসেম্বর রাণীনগর শত্রুমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা থানা সদরের পাকসেনা ক্যাম্প চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন। পরদিন ১০ ডিসেম্বর ভোরে উভয়পক্ষে ৩৬ ঘণ্টার সম্মুখযুদ্ধ হয়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে ১৭ জন রাজাকার অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। এ সময় পাক বাহিনি রেললাইন ধরে সান্তাহার অভিমুখে পালিয়ে যায়। ওই যুদ্ধে লুৎফর রহমান নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ হন।

উপজেলা আ’লী নেতার রাহিদ সরদার বলেন, সম্মুখযুদ্ধের কথা আমি বাবার মুখে শুনেছি। দুঃখের বিষয়- এতোবড় একটি বিশাল অর্জনকে নিয়ে নতুন প্রজন্মের জন্য কোনো বার্তা নেই। বিজয়ের স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করছি

সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন বলেন, দিনটি জাতির জন্য স্মরণীয় ও গৌরবের দিন। কিন্তু খুবই দুঃখজনক যে, বিজয়ের ৫২ বছর পরেও বিজয়স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি।

আলহাজ্জ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি বলেন, জনগণের সেবায় দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে সচেষ্টা থাকবো। তবে খুব শিগগিরই উপজেলায় বিজয়স্তম্ভ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চাইবো। যাতে করে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।